সুনামগঞ্জ , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ , ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক জন্মজয়ন্তীতে কবি নজরুল ইসলামকে স্মরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত, অটোরিকশার চাপায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, সীমান্তে উত্তেজনা মে মাসে গণপিটুনি ও সহিংসতায় নিহত ৩১, ধর্ষণের শিকার ৮৩ নারী ও শিশু বাদাম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ালেও ফলন নিয়ে শঙ্কা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে ছাড় দেওয়া হবে না ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় অনিয়ম, ক্ষোভে ফুঁসছেন বঞ্চিতরা টাঙ্গুয়ার হাওরে নিভে গেল ছোট্ট সৌম্যতার জীবনপ্রদীপ তাহিরপুরে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এমপি কামরুল মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা

দোয়ারাবাজারে ব্যবসায়ীর ৯৭ লক্ষ টাকার গরু-মহিষ লুটের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৭:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২২-১২-২০২৫ ০৭:৪৯:১৩ পূর্বাহ্ন
দোয়ারাবাজারে ব্যবসায়ীর ৯৭ লক্ষ টাকার গরু-মহিষ লুটের অভিযোগ
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: দোয়ারাবাজার উপজেলায় এক সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে প্রায় ৯৭ লাখ টাকা মূল্যের ৯৩টি গরু ও মহিষ লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটে গত ১৫ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে। পরদিন (১৬ ডিসেম্বর) ভুক্তভোগী ওই গ্রামের মৃত মমশর আলীর ছেলে মো. মদরিছ আলী দোয়ারাবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মদরিছ আলী ও তার পাঁচ ভাই দীর্ঘদিন ধরে গরু-মহিষ লালন পালন ও কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ঘটনার দিন বিকেলে গ্রামের পশ্চিম মাঠে ঘাস খাওয়ানোর পর গরু-মহিষগুলো বাড়িতে ফিরিয়ে আনার সময় আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা রামদা, দা, সুলফি ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে ৯৩টি গরু ও মহিষ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সবাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়। লুট হওয়া পশুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯৭ লাখ টাকা। ভুক্তভোগীর দাবি, বর্তমানে এসব গরু ও মহিষ সংঘবদ্ধ চক্রটির একটি গোপন আস্তানায় রাখা হয়েছে। অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন শ্রীপুর গ্রামের আবদুল কাইয়ুম (বাদশা)’র ছেলে নান্নু মিয়া (২৪), মৃত সুরুজ আলীর ছেলে আবদুল কাইয়ুম (৫৫), মমিন মিয়া (৫০); সানিয়া গ্রামের আবদুল হকের ছেলে জামাল হোসেন (২৪), জাবেদ আহমদ (২২), জাকির হোসেন (২০), শ্রীপুর গ্রামের মৃত আফতাব আলীর ছেলে ফারুক মিয়া (৫৫), পারুল মিয়া (৫০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০-৫০ জন। অভিযোগে তাদের সবাইকে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মদরিছ আলী বলেন, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। উল্টো অভিযুক্ত চক্রের পক্ষ থেকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি।
অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুম বলেন, এধরণের অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। তবে আমাদের উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি আরো বলেন, কয়েকদিন আগে বর্ডারে আমার শ্যালক মার্ডার হয়েছে। তাঁর পোস্টমর্টেম হওয়ার পর আমরা গতকালকে (২০ ডিসেম্বর) দোয়ারাবাজার থানায় আমরা একটি মার্ডার মামলা দায়ের করেছি। ওই মামলার আসামি মদরিস আলী আমাদের ওপর অহেতুক লুটপাটের অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দোয়ারাবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হোসেন বলেন, আমি অভিযোগ পেয়ে এলাকায় গিয়েছিলাম। গরু-মহিষ কিংবা সংশ্লিষ্ট কাউকে পাইনি। আমি এখন ছুটিতে আছি। এটা এখনো তদন্তাধীন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স